নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের নেতৃত্বে দেশটি তার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য এবং সার্বভৌম অধিকারের প্রশ্নে এক চুলও ছাড় দিতে রাজি নয়—তারই সর্বশেষ প্রমাণ মিলল ভারতের আম আমদানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে। সম্প্রতি নেপাল সীমান্তে ভারতীয় আমের চালানে ক্ষতিকর ও অতিরিক্ত মাত্রায় কীটনাশকের উপস্থিতি ধরা পড়ার পর এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজেদের দেশের নাগরিকদের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে কোনো প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে 'বাণিজ্যিক বন্ধুত্ব' বজায় রাখা যে সম্ভব নয়, নেপাল সরকার তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য নিয়ে আপসহীন নেপাল খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মৌলিক অধিকার। ভারতীয় আমে সহনশীল মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি রাসায়নিক এবং কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে নেপালের কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষ। এর আগে বিশ্ববাজারের অন্যতম বড় অংশীদার জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও (EU) খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে ভারতের এই বিষাক্ত ও মানহীন আম আমদানি প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেই একই পথ অনুসরণ করে নেপাল কেবল নিজের নাগরিকদের স্বাস্থ্যই রক্ষা করেনি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ম...
বিশেষ প্রতিবেদন: > "আচ্ছা, মাঝরাতে হাদি ভাইয়ের সন্তানের কান্নায় যখন তার স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায় এবং পুরো দুনিয়ায় তার নিজেকে সবথেকে অসহায় মনে হয়—তখন কি সে আমাদের অভিশাপ দেয়না?" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক নেতার এই আকুতি আজ শুধু একজন ব্যক্তির প্রশ্ন নয়, বরং এটি দেশের প্রতিটি বিবেকবান নাগরিকের মনের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ভরদুপুরে রাজধানীর পল্টনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী। হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও রাষ্ট্র এখনো এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। বারবার পিছিয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন, থমকে আছে বিচার হাদী হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার সিআইডির (CID) ওপর ন্যস্ত থাকলেও, সম্পূরক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আগামী ১৭ জুন ২০২৬ নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। এই নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রায় ১৫ বারের মতো পেছানো হল...
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের স্বল্পমূল্যের চিকিৎসা সেবা ও আইনি জটিলতা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভুক্তভোগী মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। "ভুক্তভোগী পরিবারবর্গের অনুরোধেই বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করছি" সম্প্রতি এক বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট শিশির মনির তার এই মানবিক উদ্যোগের কথা স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনো ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, "ভুক্তভোগী পরিবারবর্গের অনুরোধেই বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করছি।" একটি সাধারণ পরিবার যখন আইনি লড়াইয়ের খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খায়, তখন তার এই ঘোষণা অসহায় মানুষদের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। আদ-দ্বীন হাসপাতালের স্বল্পমূল্যের চিকিৎসা সচল রাখার আহ্বান সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন